কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মালিহাতায় একটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের সদর উপজেলা অংশের মালিহাতা নামক স্থানে এই মিছিলের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক সুজন দত্ত তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এই ঝটিকা মিছিলের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে স্থানীয় জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলা যুবলীগের ব্যানারে আয়োজিত এই ঝটিকা মিছিলে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস। মিছিলে যুবলীগের প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
মিছিলে ব্যবহৃত ব্যানারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানানো হয়। একই সাথে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। ঝটিকা মিছিল থেকে নেতাকর্মীরা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি 'শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে' স্লোগান দেন। এ সময় তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীসহ বর্তমানে কারাগারে থাকা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, উক্ত ঝটিকা মিছিলে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবনেতা মমিন হোসেন, সরাইল উপজেলা যুবলীগ নেতা শেখ মো. মুন্না, সদর উপজেলা যুবলীগ নেতা রেজাউল হক এবং জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কাজী আশিকুর রহমানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। সকালের দিকে মহাসড়ক ফাঁকা থাকার সুযোগে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে মিছিলটি শেষ করে নেতাকর্মীরা স্থান ত্যাগ করেন।
জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক সুজন দত্ত তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এই ঝটিকা মিছিলের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে স্থানীয় জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলা যুবলীগের ব্যানারে আয়োজিত এই ঝটিকা মিছিলে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস। মিছিলে যুবলীগের প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
মিছিলে ব্যবহৃত ব্যানারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানানো হয়। একই সাথে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। ঝটিকা মিছিল থেকে নেতাকর্মীরা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি 'শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে' স্লোগান দেন। এ সময় তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীসহ বর্তমানে কারাগারে থাকা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, উক্ত ঝটিকা মিছিলে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবনেতা মমিন হোসেন, সরাইল উপজেলা যুবলীগ নেতা শেখ মো. মুন্না, সদর উপজেলা যুবলীগ নেতা রেজাউল হক এবং জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কাজী আশিকুর রহমানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। সকালের দিকে মহাসড়ক ফাঁকা থাকার সুযোগে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে মিছিলটি শেষ করে নেতাকর্মীরা স্থান ত্যাগ করেন।